সবাই বলে দিতে পারেন, এ জায়গা কোথায়। আইফেল টাওয়ার যেমন প্যারিসকে চেনায়,মালয়েশিয়ার টুইন টাওয়ারও বহুল চর্চিত একসময়ের বিস্ময়।

ছেলের ‘ও লেভেল শেষ হওয়াতে মা-ছেলের স্বাচ্ছন্দ্যের ভ্রমণ। এর আগেও দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়িয়েছি দুজনে যেখানে বহু কসরত করে ছবি তুলতে হয়েছে। দূরে যেয়ে মা ক্যামেরাতে ছবি তুলছে  ঠিক ঐ সময়ে ছেলেরও মাকেই চাই, এটেল আঠা হয়ে লেপ্টে থাকতো।

সাধারণ ক্যামেরায় তোলা আগের দিনগুলোর সাদামাটা ছবিদুটো কি যুগান্তকারী শাশ্বত গল্প বলতো? ভ্রমণে গেলে মায়েদের একমুহুর্তে্র ফুরসত মেলতো না …তবুও বার হওয়া, ঘুরতে যাওয়া।

ছেলেরা বড় হয়ে উঠলে আবার আরেকরকম। যেন বুঝি মাকে নিয়ে এবার সে বেরিয়েছে, দেখে রাখছে, পাশে থাকছে।

মা-ছেলের বেড়ে ওঠার গল্পগুলো এভাবে জমতে বাড়তে থাকুক—ভ্রমণে ভ্রমণে,ছেলেরা ছড়িয়ে পড়ুক জীবনের ডাকে দূরদূরান্তে, তবু এই এক ছবির ঝলক যেন সাতশো গলপ মনে পড়ায় ছেলের মনে – অথৈ জীবনযুদ্ধে যখন একলা মনে হয়, ক্লান্ত ভারী হয় বুক, মায়ের সাথে বেড়ানো কাটানো ছবিগুলো ভালবাসার আশীর্বাদ হয়ে বুকে সাহস আনুক।