নদীর এই অপূর্ব নামটাই আমার জন্য যথেষ্ট
এই নদী দেখতে যাওয়ার জন্য।
সোমেশ্বর মানে শিব।
(আদি যোগী – যেখান থেকে যোগ এসেছে)
আমি শিবের পূজারী।
শিব – মানেই অসীম।
আর এই সোমেশ্বরী নদী তাই’ই!
খনিজের ভান্ডার!
বালু আর কয়লার খনি।
স্বচ্ছ-শীতল জল।
সর্পের মতো লম্বা।
মোহনীয়।
প্রকৃতির ভান্ডার এই
সোমেশ্বরী নদী।

একদিন এই ভাণ্ডারও শেষ হবে,
যেভাবে লুটে যাচ্ছে!
সোমেশ্বরী নদীতে
যাওয়ার পুরো রাস্তাটা চরম দূষিত
ও বাজে। লুটেরেরা স্থায়ী জনপদ ও
জনজীবন ভয়ানক দূষিত করে রেখেছে।
আমাদের যেতে সাংঘাতিক কষ্ট হয়েছে।
প্রাকৃতিক বিশুদ্ধ পরিবেশে দূর্গম জায়গায় যাওয়া
সেই ভিন্ন।
কিন্তু মানুষের তৈরি দূষণ মারিয়ে যাওয়া
শারীরিক তথা মানসিক হানিকর।
তারপরও এই কষ্ট সার্থক হলো যখন
সোমেশ্বরীর জলে পা ডোবালাম।
জলকেলি করেছিলাম।
ডুবতেও ইচ্ছে করছিলো।
পোশাক না নেওয়া হেতু
হয়নি।






আরো পড়ুন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান

এতো সুন্দর স্বচ্ছ জল।
জল-নদী কি আর উপভোগ করবো(!?)
দানবের মতো বসানো মেশিনগুলোর
ভয়ানক শব্দ দূষণ!
মাথা ব্যথা নিয়ে ফিরলাম।
আর কখনো যাওয়া হবে কিনা জনিনা
সোমেশ্বরীতে।
দিন দিন ‘প্রকৃতি’ বলাৎকারের চরম
শিকার হচ্ছে।
প্রকৃতিকে যদি রক্ষা না করা হয়
এর দহন সব্বাইকে শেষ করবে।
নদী-মাটি না বাঁচলে কেউ বাঁচবেনা!
পড়ুন রুমা চৌধুরীর আরো লেখা
ঘুরুঞ্চি ম্যাগাজিনের সকল কর্মকান্ড নট ফর প্রফিট, স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে সকল কাজ পরিচালিত হচ্ছে।
অত্যন্ত ভরাক্রান্ত মনে জানাতে হচ্ছে যে আমাদের সম্মানিত লেখকদের জন্য কোনো তহবিল এই মুহূর্তে আমাদের কাছে নেই। অদূর ভবিষ্যতে তহবিল গঠন করতে পারা গেল এই অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে।
ঘুরুঞ্চির ওয়েবসাইট পরিচালনা করতে আমাদের সপ্তাহে ৮-১২ ঘন্টা কাজ করতে হয়। বর্তমানে আমাদের কাজ শুধুমাত্র স্বেচ্ছাসেবক এবং স্ব-অর্থায়নের উপর নির্ভর করে। আপনারা ঘুরুঞ্চিতে বিজ্ঞাপন দিয়ে, অনুদান দিয়ে, স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে সাহায্য করতে পারেন।
ঘুরুঞ্চির ভ্রমণ ছবি ব্লগের ছবি থেকে আপনার পছন্দসই ছবি পেপার প্রিন্ট, ফাইন আর্ট প্রিন্ট, ওয়াল আর্ট এবং ডেস্ক আর্ট হিসাবে কেনার ব্যবস্থা রয়েছে। আপনারা ছবি কেনাকাটা করলে আমরা অল্প পরিমাণ কমিশন পাব, যা ঘুরুঞ্চির ক্রমবিকাশ এবং সম্প্রসারে ব্যাবস্থার হবে, যা ঘুরুঞ্চির ক্রমবিকাশ এবং সম্প্রসারে ব্যবহার হবে।
আমরা আপনার সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞ।